ফজরের নামাজের শুরু সময়-
ফজরের নামাজের সময় হলো সুবহে সাদেক উদয় হওয়ার পর থেকে সূর্যের কিনারা ভেসে উঠার পূর্ব পর্যন্ত।
মাস’আলা: সুবহে সাদেক ও সুবহে কাযেব কি?
শেষ রাতে আকাশের পূর্ব দিগন্তে উত্তর-দক্ষিণে যে শুভ্র আভা আত্নপ্রকাশ করে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাকে সুবহে সাদেক।
আর পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে বাঘের লেজের ন্যায় যে শুভ্রতা আত্নপ্রকাশ করে অল্পক্ষণ পরেই বিলীন হয়ে আবার অন্ধকারে ছেয়ে যায়,
তাকে সুবহে কাযেব বলে।
জোহরের নামাজের শুরু সময়-
জোহরের নামাজের সময় হলো, সূর্য ঢলে যাওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বস্তুর মূলছায়া ব্যতীত যখন ছায়াটি ঐ বস্তুর সমপরিমাণ হয়ে যায়।
মূলছায়া শ্রাবণ মাসে দেড় কদম হয়ে থাকে। আর এর পূর্বের ও পরের চার মাস (শ্রাবণসহ) এক এক কদম করে বাড়তে থাকে।
এরপর প্রত্যেক মাসে দুই দুই কদম পরিমাণ বাড়ে। অবশেষে মূল ছায়া মাঘ মাসে সাড়ে দশ কদম হয়ে যায়।
আর প্রত্যেক বস্তুর দৈর্ঘ্যের এক সপ্তমাংশকে কদম বলে।
এ হচ্ছে (অর্থাৎ মূল ছায়া ব্যতীত প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া পর্যন্ত জোহরের সময় বাকী থাকা)।
সাহেবাইন ও জমহুর উলামায়ে কেরামের অভিমত। এ মতের উপরই ফাতওয়া। ইমাম আযম রহ. থেকেও এ ধরণের একটি অভিমত বর্ণিত আছে।
তবে ইমাম আযম রহ. -এর যে অভিমতের উপর ফতোয়া প্রাদান করা হয়েছে।
তা হলো, মূল ছায়া ব্যতীত প্রত্যেক বস্তুর ছায়া দ্বিগুণ হওয়া পর্যন্ত জোহরের ওয়াক্ত বাকী থাকে।
MuslimBD24.Com Islamic blog site Bangladesh


