Breaking News
Home / বিদআত / বিদআত যে পদ্ধতিতে চালু হয়েছে

বিদআত যে পদ্ধতিতে চালু হয়েছে

(মুসলিমবিডি২৪ডটকম)বিদআত যে পদ্ধতিতে চালু হয়েছে

বিদআত চালু হওয়ার পদ্ধতি

মুসলিম সমাজে বিদআত অত্যন্ত পবিত্রতার ছদ্মবরণে এবং অতিশয় সংগোপনে অনুপ্রবেশ করে থাকে।তারপর কায়েমি স্বার্থবাদী মহল দুনিয়াদার

পীর ফকির ও ভন্ডদের তত্ত্বাবধানে তা পূর্ণ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আদিকালে পৃথিবীতে শিরক, মূর্তিপূজা, কবরপূজা ইত্যাদি এই পদ্ধতিতেই প্রচলিত হয়েছিল।

হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ রহঃ বলেন, হযরত আদম আঃ এর ইন্তেকালের পর যথাক্রমে তার পুত্র হযরত শীষ আঃ ও পৌত্র হযরত ইদ্রিস আঃ নবুওয়াত লাভ করেন।

হযরত ইদ্রিস আঃ ইলমে নবুয়তের পাশাপাশি জাগতিক অন্যান্য জ্ঞান বিজ্ঞানেরও অধিকারী ছিলেন। তার প্রতি তার উম্মতের ভক্তি শ্রদ্ধাও ছিল অপরিসীম।

পরবর্তীকালে তাকে দুনিয়া থেকে তুলে নেয়া হলে তার বিয়োগ ব্যথায় উম্মতগণ ভেঙ্গে পড়ে। এমতাবস্থায় শয়তান মানব আকৃতি ধারণ করে তাদের কাছে আসে

মূর্তিপূজার প্রচলন যেভাবে শুরু হয়েছিল

এবং হযরত ইদ্রিস আলাইহিস সালামের একটি মূর্তি তৈরি করে তার শয়ন কক্ষের দুয়ারে স্থাপন করার পরামর্শ দেয়,

যেন মর্মাহত উম্মতগণ এটি দেখে শান্তনা লাভ করতে পারে।লোকজন ভক্তির আতিশয্যে শয়তানের এ প্ররোচনায় প্রতারিত হয়।

তারা সে মতে হযরত ইদ্রিস আঃ এর একটি মূর্তি শয়ন কক্ষে স্থাপন করে,

আর অতিশয় ভক্ত উম্মতগণ ইদ্রিস আঃ এর মূর্তি দেখে সান্তনা লাভ করতে থাকে। পরবর্তীকালে এটি সমাজের একটি সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়।

সমাজের যেকোনো নেককার মানুষ মারা গেলে তার বিয়োগ ব্যাথা নিবারণের জন্যও এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এভাবে তাদের কবরকে খুব সজ্জিত করা হয়

এবং তাদের মূর্তি তৈরি করে সেগুলি দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়। হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন,

পবিত্র কুরআনে বর্ণিত উর্দু সুখ, ইয়াগুস, ইয়াউক, নাসর ইত্যাদি নাম বস্তুত তৎকালীন নেককার লোকজনের নাম যা পরবর্তীকালে মূর্তির নাম হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

তারপর ক্রমান্বয়ে শয়তান কবর ও মূর্তির ব্যাপারে সুধারণা সরবরাহ করতে থাকলে অবশেষে শিরক ও মূর্তি পূজার প্রচলন শুরু হয়।

লোভী দুনিয়াদার ভণ্ড সার্থান্ধ লোক

কবর ও মূর্তিরগুলোর সেবায় থাকতো একদল স্বার্থান্ধ সেবক দল। সে সব সার্থান্ধ দুনিয়াদারদের সার্বিক সহযোগিতায়

এসব প্রথার প্রচলন সমাজে দৃঢ়ভাবে শিকড় বিস্তার করে। পবিত্র কাবা গৃহে ৩৬০ টি মূর্তি স্থাপিত হওয়ার পিছনেও একই ইতিহাস বিদ্যমান।

প্রথমত একান্ত সুধারনার প্রেক্ষিতেই কাবাঘরে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মূর্তি অঙ্কিত হয়েছিল।

তারপর এই সূত্র ধরে কাবাঘর বহু সংখ্যক মূর্তির ঘরে রূপান্তরিত হয়।

About Hafij Khijir

আমার নাম হাফিজ খিজির আহমদ। ঠিকানা. সিলেট, বাংলাদেশ। আমি কওমি মাদ্রাসার অধ্যায়নরত একজন ছাত্র। আমার ধর্ম ইসলাম । আর আমি এই ইসলাম সম্পর্কে জানতে শিখতে ও শিখাতে ভালোবাসি। আমি যা জানি তা জানাই, এবং যা জানিনা তা জানার চেষ্টা করি ও করতেছি।উদ্দেশ্য একটাই আল্লাহ এবং আল্লাহ তাআলার রাসুলের সন্তুষ্টি অর্জন ।

Powered by

Hosted By ShareWebHost