Breaking News
Home / ইবাদত / জিলহজ মাসের প্রথম দশকের আমলসমুহ

জিলহজ মাসের প্রথম দশকের আমলসমুহ

(মুসলিমবিডি২৪ডটকম)

জিলহজ মাসের প্রথম দশকের আমলসমুহ

১/ বিশেষ একটি আমল:- হাদীস শরীফে আছে, যেসব লোক জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানির পূর্বক্ষণ পর্যন্ত নিজ দেহের কোন পশম

বা চুল, নখ না কেটে কোরবানির দিন পর্যন্ত জবাইয়ের পর এগুলো পরিষ্কার করে তাহলে সে ব্যক্তি একটি পূর্ণ কোরবানি করার সাওয়াব পাবে।

চাই সে কোরবানি করুক বা গরিব হওয়ার দরুন কোরবানি না করুক। এই আমলটি করার নিয়ম হলো:- জিলহজ মাস শুরু হওয়ার আগেই নক,চুল

পরিষ্কার করে নিবে। যদি পরিষ্কার না করার দারুন 40 দিনের বেশি হয়ে যায় তাহলে গুনাহগার হবে। তাই 40 দিনের আগেই এগুলো পরিষ্কার করা

জরুরি। যদিও তখন জিলহজ মাসের চাঁদ উদিত হয়ে যায়।( মাওলানা সাইফুল্লাহ, মাসায়েলে উযহিয়্যাহ)২/ দিনে রোজা রাখা:- হাদীস শরীফে

আছে জিলহজ মাসের প্রথম দশকের দিনগুলোর (দশম দিনে কোরবানির দিন ছাড়া) প্রতিদিনের রোজা এক এক বছর রোজা রাখার সমান।

(তিরমিজি) বিশেষত এই মাসের নবম তারিখ আরাফার দিনের একটি মাত্র রোজা পিছনের এক বছরের গুনাহমাফ হয়ে যায়। (মুসলিম)

৩/ রাতে ইবাদত করা:- হাদীস শরীফে আছে জিলহজ মাসের প্রতি রাতের ইবাদত শবে কদরের ইবাদতের সমতুল্য। (তিরমিজি) শবে কদরের

ইবাদত এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। (আল কোরআন) বিশেষত যে ব্যক্তি ঈদুল আযহার রাতে জাগ্রত থেকে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীতে লিপ্ত

থাকবে কেয়ামতের ভয়াবহতার কারণে যখন মানুষের দিল মরে যাবে সেদিন তার দিল মরবে না বরং সহিসু ও স্থির থাকবে।(তাবরানী)

৪/ অধিক পরিমাণে জিকির ও দোয়া করা:- হাদীস শরীফে আছে জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনে নেক আমল করার চেয়ে আল্লাহ তাআলার

কাছে প্রিয় ও মহান কোন আমল নেই। তাই তোমরা এ সময়ে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” “আল্লাহু আকবার” ” আলহামদুলিল্লাহ” বেশি বেশি করে আদায় করো।

(মুসনাদে আহমদ) সবচেয়ে উত্তম দোয়া হল নবম তারিখ তথা আরাফার দিনের দোয়া (তিরমিজি) আরাফার দিন আল্লাহ পাক তাঁর বান্দাদের এত

অধিক সংখ্যককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন যা অন্য কোন দিনে দেন না।( মুসলিম) তাই আরাফার দিনে নিজের জন্য ও জীবিত-মৃত মুসলমানদের

জন্য বেশী বেশী তওবা ইস্তেগফার করা উত্তম।      ৫/উচ্চস্বরে তাকবীর বলা:- হাদিসে শরিফে আছে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ও হযরত আবু

হুরায়রা রা. জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন বাজারে গিয়ে তাকবীর পাঠ করতেন আর লোকজন তাদের অনুসরণ করে তাকবীর পাঠ করতেন। ( বুখারী)

তাই এই দিনগুলোতে পুরুষরা উচ্চস্বরে মসজিদ, বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট, বাজারে, শহরে সর্বত্র তাকবীর বলবে আর মহিলারা বাড়িতে নিম্নস্বরে তাকবীর

বলবে। এ তাকবীর বলার জন্য সুন্নত।

আরও পড়ুন:-

 

About মুহাম্মদ আবদুল্লাহ

আমি মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ। 15ই এপ্রিল 1994 ঈসায়ি রোজ শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার হামরকোনায়( দাউদপুর) জন্মগ্রহণ করি। শিক্ষা জীবনের শুরুটা প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়ে হলেও 4 বছরের মাথায় ইসলামিক শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে মাদ্রাসায় ভর্তি হই! আলহামদুলিল্লাহ! সর্বশেষ 2017 ঈসায়ি কওমি মাদ্রাসার উচ্চতর ডিগ্রী মাস্টার্স (দাওরায়ে হাদিস) হযরত শাহ সুলতান রহ. মাদ্রাসা থেকে আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল ক্বওমিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করি! নিজে যা কিছু জেনেছি তা লিখনীর মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং আমৃত্যু ইসলাম ও মানবতার সম্পর্কে জানতে ও জানাতে এই সাইটের সাথে সংযুক্ত হয়েছি! আল্লাহ আমাকে ও সবাইকে কবুল করুন।আমিন!!!

Check Also

হাদিয়া (উপহার) আদান প্রদান

(মুসলিমবিডি২৪ডটকম) ভালোবাসা ও আন্তরিকতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অন্যান্যদের যে উপহার ও উপঢৌকন প্রদান …

Powered by

Hosted By ShareWebHost