রোগ নির্ণয় সম্পর্কে
রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার আগে তার রোগের ধরন বুঝতে হবে।
তার সমস্যা কি ডাক্তারী ? নাকি কবিরাজি ? তাই তার তাই চিকিৎসা কি হবে তা নিশ্চিত হতে থাকে পরিক্ষা করতে হবে।
যখন কোন রোগী আসবে তখন কিছু কাজ করতে হবে…
✒️ চিকিৎসক ও রোগী অজু করে নিবে। ( যদি রুগী পবিত্রতা অর্জন করার মতো অবস্থা না থাকে বা ছোট বাচ্চা হয় তাহলে অজু না করায় কোন সমস্যা নেই।)
✒️কপালের চুলের গোড়া থেকে পায়ের বৃদ্ধা আঙ্গুল পর্যন্ত লম্বা সাত নাল সুতা নিবে।
✒️ বিসমিল্লাহ পরে কয়েকবার দরুদ শরীফ পড়বে,
✒️ সাত বার সূরা ফাতিহা ও এক বার আয়াতুল কুরসি ও ৭ বার নিচের দোয়া টি পরবে…..
“দোয়াটি হল এই”
قَيُوْشٍ مَقْشٍ رَجْمَشٍ مِيْعَاشٍ شَاقِيْشٍ مَاشٍ اَبُوْشٍ بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
বাংলা উচ্চারণঃ ক্বায়ুশিন মাক্বশিন রাজমাশিন মিআশিন শাক্বিশিন মাশিন্ আবুশিন, বিরাহমাতিকা ইয়া আর হামার রাহিমীন ”
✒️ এরপর ৭বার দুরুদ শরিফ পরড়ে সুতায় ফুক দিতে হবে।
✒️ তারপর সেই সুতা দিয়ে রোগীকে আবার মেপে দেখতে হবে….
মাপার পর সুতার ৩ টি অবস্থা হবে……
১. ছোট হয়ে যাবে।
২. বড় হয়ে যাবে।
৩. সমান থেকে যাবে।
যদি ছোট হয়ে যায় তাহলে ৪ অবস্থা হবে….
ক. ১ কর পরিমাণ ছোট হয়ে যাবে …
যদি এক করে পরিমাণ ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে দানব ( দুষ্ট জীন / শয়তান) ভর করেছে।
খ. ২ কর পরিমাণ ছোট হয়ে যাবে….
যদি ২ কর পরিমাণ ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে জীনের আসর করেছে।
গ. ৩ কর পরিমাণ ছোট হয়ে যাবে…
যদি তিন কর পরিমাণ ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে যাদু টুনা করা হয়েছে।
ঘ. ৪ কর পরিমাণ ছোট হয়ে যাবে..
যদি চার কর পরিমাণ ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে ভিতরে ভিতরে জ্বর থাকে।

আর যদি বড় হয়ে যায় তাহলে তিন অবস্থা হবে….
ক. ১ কর পরিমাণ লম্বা হবে..
যদি এক কর পরিমাণ লম্বা হয় তাহলে বুঝতে হবে যে বদ নজর লেগেছে।
খ. ২ কর পরিমাণ লম্বা হবে..
যদি দুই কর পরিমাণ লম্বা হয় তাহলে বুঝতে হবে যে মুখ দোষ লেগেছে।
গ. ৩ কর পরিমাণ লম্বা হবে..
যদি তিন কর পরিমাণ লম্বা হয় তাহলে বুঝতে হবে যে বাতাস লেগেছে।
আর যদি সুতা আগের মতো সমপরিমাণ থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে তার ডাক্তারী চিকিৎসা প্রয়োজন।
MuslimBD24.Com Islamic blog site Bangladesh