প্রতিদিন শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ আর হত্যা বাড়ছেই অনেক ঘটনা আমরা জানিই না;
জানি তখনই, যখন কোনো শিশু খুন হয় কিংবা ভয়াবহ কোনো ঘটনা সামনে আসে।
তারপর শুরু হয় প্রতিবাদ, পোস্ট, মানববন্ধন…কিন্তু বাস্তবে অপরাধ কমছে কি? সমাজ কি নিরাপদ হচ্ছে?
সমাজিক অবক্ষয় হচ্ছে
টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক রিলস ও ইউটিউব এর অশ্লীল ও অপ্রয়োজনীয় কনটেন্টে।
কেউ নিজের ছোট ছোট মেয়েদের আধা-অশালীন পোশাক পরিয়ে ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
শিশুদের শৈশবকে বানিয়ে ফেলা হচ্ছে “ভিউ” আর “লাইক” এর পণ্য।
আজ ক্লাস ওয়ানের শিশুও মোবাইলের মাধ্যমে এমন জিনিস দেখে, যা একসময় বড়রাও লজ্জায় এড়িয়ে চলতো।
নৈতিকতা ধ্বংস হলে শুধু আইন দিয়ে অপরাধ থামানো যায় না।
তাই এখন সময় এসেছে কঠোর সিদ্ধান্তের। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অশ্লীলতা, বিকৃত কনটেন্ট ও শিশুদের ব্যবহার করে ভাইরাল সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
অনলাইন জগতকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে।
আর সত্য কথা হলো—
শরীয়া আইনের ন্যায়ভিত্তিক, প্রতিরোধমূলক ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার কোনো প্রকৃত বিকল্প নেই।
ইসলাম শুধু অপরাধীর শাস্তি নয়, বরং অপরাধ জন্মানোর পথও বন্ধ করতে চায়।
আমরা শুধু বিচার চাই না—
চাই নৈতিকতা, সুশিক্ষা, নিরাপদ সমাজ এবং এমন এক প্রজন্ম,যারা লজ্জাশীলতা, সম্মান ও মানবিকতা নিয়ে বড় হবে।
লিখেছেনঃ মুদাররিস ঝেরঝেরীপাড়া জামেয়া হুসাইনিয়া ইসলামিয়া দারুল হাদীস টাইটেল মাদ্রাসা সিলেট
MuslimBD24.Com Islamic blog site Bangladesh

