Home / জরুরী মাসাইল / ঔষধ খেয়ে হায়েয ও নেফাস বন্ধ করার বিধান

ঔষধ খেয়ে হায়েয ও নেফাস বন্ধ করার বিধান

(মুসলিমবিডি২৪ডটকম)ঔষধ খেয়ে হায়েয ও নেফাস বন্ধ করার বিধান

ঔষধ খেয়ে হায়েয নেফা বন্ধ করা যাবে কি

প্রশ্নঃ ঔষধ খেয়ে হায়েজ (মািক) ও নেফাস বন্ধ করা জায়েজ কি না?

উত্তরঃ হায়েজ (মািক) ও নেফাস কোন রোগ নয়, বরং প্রাকৃতিক নিয়ম। হায়েজ-নেফাছ না আসাই বরং রোগ।

ইচ্ছা করে বন্ধ করলে ্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তাই ঔষধ খেয়ে হায়েজ নেফাস বন্ধ করা নিষিদ্ধ।

(ফাতওয়ায়ে রাহিমিয়া, ৬/৪০৪)

ঔষধ খেয়ে হায়েয ও নেফা বন্ধ করলে াজ রোজার হুকুম কি

প্রশ্নঃ ঔষধ খেয়ে হায়েজ (মািক) ও নেফাস বন্ধ করলে তখন াজ রোজার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কি?

উত্তরঃ রক্ত যোনিমুখ অতিক্রম করে যোনিকপাটে পৌঁছার পূর্বে যদি ঔষধ েবন করে বা কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে হায়েজ নেফাস বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট মহিলা ঋতু মুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।

এবং যথারীতি াজ রোজা করতে হবে। পক্ষান্তরে রক্ত যোনিমুখ অতিক্রম করে যোনিকপাটে পৌঁছার পর যদি বন্ধ করা হয়, তাহলে দেখতে হবে যে,

হায়েযের ক্ষেত্রে ১০ দিনের ভেতর এবং নেফাসের ক্ষেত্রে ৪০ দিনের ভেতর পুনরায় রক্ত দেখা দিয়েছে কি না,

যদি দেখা দিয়ে থাকে তাহলে উক্ত মহিলা হায়েযগ্রস্ত (ঋতুবতী) হিসেবে গণ্য হবে।অন্যথায় ঋতু মুক্ত বলে গণ্য হবে।

( ফাতওয়ায়ে শামী, ১/৩০৮) (আল বাহরুর রায়েক, ১/১৯৩-১৯৪)

আরো পড়ুন 👇👇

মহিলাদের হায়েজ অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত করা সম্পর্কে, নিজ স্ত্রী ও দাসীর গুপ্তাঙ্গ দেখার হুকুম কি

About Hafij Khijir

আমার নাম হাফিজ খিজির আহমদ। ঠিকানা. সিলেট, বাংলাদেশ। আমি কওমি মাদ্রাসার অধ্যায়নরত একজন ছাত্র। আমার ধর্ম ইসলাম । আর আমি এই ইসলাম সম্পর্কে জানতে শিখতে ও শিখাতে ভালোবাসি। আমি যা জানি তা জানাই, এবং যা জানিনা তা জানার চেষ্টা করি ও করতেছি।উদ্দেশ্য একটাই আল্লাহ এবং আল্লাহ তাআলার রাসুলের সন্তুষ্টি অর্জন ।

Check Also

বিসমিল্লাহ ও দুরূদের ব্যবহার

বিসমিল্লাহ ও দুরূদ অশুদ্ধ বা অসম্পূর্ণ বলা ও লেখা

(মুসলিমবিডি২৪ডটকম)  প্রত্যেক  গুরুত্বপূর্ণ কাজের শুরুতে “আল্লাহর যিকির” মাসনুন।প্রত্যেক কাজের শুরুতে শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত  ঐ যিকিরই …

Powered by

Hosted By ShareWebHost